বিপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান ২২১

0
515

ওপেনার লিন্ডেল সিমন্স ৩৬ বলে ৫৭। আরেক ওপেনার আবিস্কা ফার্নান্দো ১৩ বলে ২৬। ইমরুল কায়েস ২৪ বলে ৪০। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২৮ বলে ৫৯। চ্যাডউইক ওয়ালটন ১৮ বলে অপরাজিত ২৭ রান। এবং চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের স্কোরবোর্ডে রেকর্ড ৪ উইকেটে ২২১ রান। বঙ্গবন্ধু বিপিএলের চলতি আসরে এটি সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। বিপিএলের ইতিহাসে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর।

ঢাকা প্লাটুনের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা প্রতিপক্ষের এই স্কোর দেখি নিশ্চয়ই আফসোস করছিলেন-টসে জিতে তাহলে ব্যাটিং নিলেই ভাল হতো! চট্টগ্রামের ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ছক্কা। আর সেই যে ব্যাটিং ঝড় শুরু হলো, সেটা যখন থামলো ততক্ষনে ২০ ওভারে তাদের ইনিংস পৌছে গেছে ৪ উইকেটে ২২১ রানের পাহাড়ে।

ঢাকা প্লাটুনের বিপক্ষে এই ম্যাচ জেতার কাজ তাহলে ব্যাটিংয়েই সেরে ফেললো চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স?

ম্যাচের প্রথম ওভার করেন ঢাকার অধিনায়ক মাশরাফি। সেই ওভার থেকে লিন্ডেল সিমন্স তুলেন ১২ রান। অন্যপ্রান্তে আবিস্কা ফার্নান্দোও ছক্কা-চারের ঝড় তুলছেন। পাওয়ার প্লে শেষ হতে চট্টগ্রামের স্কোরবোর্ডে রান দাড়ালো ১ উইকেটে ৭৪। শুরুর ১০ ওভারে দলের স্কোর তিন অংক ছাড়িয়ে গেল। মারমার কাটকাট এই ব্যাটিং পরের দশ ওভারেও বজায় রাখলো চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। নিজ মাঠে পেয়ে ঢাকা প্লাটুনের বোলিং স্রেফ তুলোধুনো করে ফেলল চট্টগ্রাম।

প্রথম সাত ওভারে চট্টগ্রামের সঞ্চয় দাড়ালো ১ উইকেটে ৮৪ রান। ১০ বাউন্ডারি ও ৫ ছক্কায় এলো এই রান। লিন্ডেল সিমন্স মাত্র ২৪ বলে হাফসেঞ্চুরি করলেন।

ইমরুল কায়েসের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে সিমন্স রান আউট হয়ে ফিরলেন ৫৭ রানে। ইনিংসের বাকি সময়ে যারাই ব্যাট করতে এলেন তারাই ব্যাটিংয়ে তান্ডব তুললেন। ইমরুল কায়েসের জন্য চলতি টুর্নামেন্ট দুর্দান্ত কাটছে। ধারাবাহিকভাবে রান পাচ্ছেন এই বাঁহাতি। ৫ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় এই ম্যাচেও করলেন ২৪ বলে ৪০ রান। তবে স্ট্রাইকরেটে দলের সবাইকে ছাড়িয়ে গেলেন অধিনায়ক মাহমুদল্লাহ রিয়াদ। সিমন্সের মতো ২৪ বলে হাফসেঞ্চুরি পেলেন তিনি। ১৮ নম্বর ওভারে যখন আউট হয়ে ফিরছেন তখন তার নামের পাশে ২৮ বলে ৫৯ রানের ঝলমলো ইনিংস শোভা পাচ্ছে। ৫ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায় এই রান করেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের অধিনায়ক।

চট্টগ্রামের ইনিংসের শেষের দিকে ঝড় তুললেন আরেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান-চ্যাডউইক ওয়ালটন। ১৮ বলে তার যোগাড় অপরাজিত ২৭ রান। শেষ দুই ওভারে চট্টগ্রাম যেন পিটিয়ে ছাতু বানালো ঢাকার বোলিংকে। শেষ এই দুই ওভারে রান উঠলো ৪৩!

আর তাতেই স্কোরবোর্ডে পেটমোটা ২২১ রানের সঞ্চয়! সবমিলিয়ে ২৩ বাউন্ডারি ও ১১ ছক্কার ইনিংস এটি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স: ২২১/৪ (২০ ওভারে, সিমন্স ৫৭, আবিস্কা ফার্নান্দো ২৭, ইমরুল ৪০, মাহমুদল্লাহ ৫৯, ওয়ালটন ২৭*; হাসান মাহমুদ ২/৫৫)।

মন্তব্য দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here